শনিবার , ১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
×

স্বজনরা কফিন খুলতেই বিস্মিত

মৃত আফসর দামোধরতপী গ্রামের জমসিদ আলীর বড় ছেলে আফসরের পরিবারের সদস্যরা জানান। ২৮ ফেব্রুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয় গ্রিসে। তাঁর ভাই এমরান মিয়া মৃত্যুর চার দিন পর সেখান থেকে ভাইয়ের মরদেহ দেশে আনার সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

আফসর মিয়ার ভাগ্নে তোফায়েল আহমদ কামরান বলেন, ‘মামার লাশ নিতে শুক্রবার ঢাকা বিমানবন্দরে যাই। সব প্রক্রিয়া শেষ করে সেখান থেকে রওনা দিয়ে রাত প্রায় সাড়ে ৩টায় গ্রামে পৌঁছাই। এর মধ্যে তাঁর জানাজার সময় ঘোষণা ও মরদেহ দাফনের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। শনিবার সকালে কফিন খোলার পর দেখা যায় এটা মামার মরদেহ নয়। খবর দিলে পুলিশ এসে খোঁজখবর নিয়ে জানায় লাশটি মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ি উপজেলার শিলিনপুর গ্রামের শফিক উদ্দিনের ছেলে জালাল মিয়ার। তিনিও গ্রিসে মৃত্যুবরণ করেছেন।’

পুলিশ জানায়, আফসর মিয়ার ঠিকানাযুক্ত কফিনে করে জালাল মিয়ার লাশ চলে আসায় বিপত্তি সৃষ্টি হয়। ১৩ মার্চ আফসরের লাশ দেশে আসবে। ভুলবশত কফিন পরিবর্তন হওয়ায় একজনের মরদেহ আরেকজনের ঠিকানায় চলে আসে।

শনিবার বিকেলে জালাল মিয়ার ছোট ভাই আলমগীর হোসেন জানান, জালালের মরদেহ সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকা বিমানবন্দরে পাঠানো হচ্ছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সেখানে তাঁদের যেতে বলেছে পুলিশ। বিকেল ৪টায় জালালের লাশবাহী গাড়ি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। তাঁরাও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।