শনিবার , ১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
×

সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনে বিজেকেএস’র গোলটেবিল আলোচনা সভা

সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনে আইন প্রয়োগের সাথে সচেতনতা বাড়াতে হবে নিরাপদ সড়ক ও পরিচ্ছন্ন নাগরিক জীবন সকল নাগরিকের কাম্য। বর্তমান সরকার চেষ্টা করছে বাংলাদেশের সড়ক ও নাগরিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সহজলভ্য করতে। আইন প্রয়োগ করে কখনো সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসন করা সম্ভব নয়। এর পিছনে বড় বাধা হচ্ছে নাগরিক অসচেতনতা ও পরিবহন নৈরাজ্য। কৃত্রিম সংকট, পরিবহন নৈরাজ্য, আইন প্রয়োগে প্রতিবন্ধকতা ও নাগরিক অসচেতনতাসহ নানা অসংগতি সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনের বড় হুমকি। তাই সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনে আইন প্রয়োগের সাথে সাথে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

বিজেকেএস আয়োজিত সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনে নাগরিক দায়িত্ব ও করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. আমিনুর রহমান এনডিসি উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
জীবনযাত্রায় জীবনের যাত্রাপথে যেমন সড়ক দুর্ঘটনা, মাদক পাচার ও সেবন, ভোক্তা অধিকার বাস্তবায়ন, পরিবেশ উন্নয়নে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, বঞ্চিত ও চলমান সার্বিক সাংবিধানিক গণঅধিকার আদায়ে গঠিত সরকারের উন্নয়ন সহযোগী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বাংলাবন্ধু যাত্রী কল্যাণ সংস্থা (বিজেকেএস)’র উদ্যোগে নগরীর কোর্ট হিলস্থ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে আজ ১৬ এপ্রিল রবিবার সকাল এগারটায় সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনে নাগরিক দায়িত্ব ও করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. আমিনুর রহমান এনডিসি। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনরে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. তৌহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ, বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) রায়হানা আক্তার উর্থী, সিমনী গ্রুপের কর্ণদ্বার ও রাজনীতিবিদ লায়ন আলহাজ্ব মো. ইমরান, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন এসএম মোর্শেদ হোসেন, লায়ন ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী, আরএম এডুকেশন ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. মেহেদী হাসান, ঢাকা প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি আশিকুর রহমান হাশেমী।
সভায় বক্তারা বলেন সরকার কখনো একা সড়কের নিরাপত্তা ও যানজট সমস্যা সমাধান করতে পারবে না। যতক্ষণ না নাগরিক সচেতন না হয় এবং পরিবহন সেক্টর শৃঙ্খল না হয়। পরিবহন খাত নৈরাজ্য বন্ধ করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আসলে সড়কের যানজট অনেকটা কমে আসবে। বক্তারা আরো বলেন, বিএটিএ ও বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট সংস্থার মধ্যে কিছু সাধু কর্মকর্তারা কর্মস্থলে দীর্ঘদিন যাবৎ একই জায়গায় বহাল আছে বিদায় দালাল সৃষ্টি করে অর্থের বিনিময়ে লাইসেন্স গাড়ির ফিটনেস গাড়ির মামলা কমিয়ে অর্থ রোজগার করার কারণে আইন অমান্যকারীরা আরো উৎসাহিত ও বেপরো হয়ে ওঠে,ফিটনেস বিহীন গাড়ি ও অদক্ষ চালক সড়কে আসায় সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট বেড়েই চলেছে। যতবেশি ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও অদক্ষ চালক সড়কে কমানো যাবে না ততক্ষণ সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে না। অদক্ষ চালক পরিহার ও ফিসনেসবিহীন গাড়ি বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে।

বাংলাবন্ধু যাত্রী কল্যাণ সংস্থা (বিজেকেএস) এর চেয়ারম্যান আ স ম আকতার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গোল টেবিল আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন, মোহাম্মদ আইয়ুব, প্রকৌশলী মো. এমরান, মো. আলী সিকদার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজসেবক বাংলা বন্ধু যাত্রী কল্যাণের পরিচালক মমতাজ তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. মাঈনুল ইসলাম, মো. মাসুদ রানা, মো. এয়াকুব, লায়ন ইসমাইল চৌধুরী, এমডিএইচ রাজু, স. ম. জিয়াউর রহমান, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. মঈনুদ্দিন, মো. শাহ আলম সিরাজী, ফারহান সিদ্দিক, আরেফীন রিয়াদ, মো. কেফায়েত উল্লাহ আরকান, লায়ন মো. জানে আলম, মো. হাসান মুরাদ, আলহাজ্ব মো. মুছা প্রমূখ।